থেক্কাডিতে অবশ্যই করণীয় ৭টি কাজ
১. হাতি সাফারি ও পুল শাওয়ার
এলাচ বাগানের মধ্য দিয়ে হাতির পিঠে চড়ে ঘুরে আসুন এবং এরপর সুইমিং পুলে শুঁড় থেকে ছিটকে আসা শীতল পানির ঝরনায় স্নান করুন। থেক্কাডির প্রধান পরিচয়।
এলিফ্যান্ট ক্যাম্প · প্রতিদিন সকাল ৭:৩০ – সন্ধ্যা ৬:০০২. কালাড়িপায়াট্টু প্রাচীন যুদ্ধকলা
লাল মাটির ঐতিহ্যবাহী কালারি আখড়ায় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন মার্শাল আর্ট সরাসরি দেখুন। শূন্যে লাফ, তরবারি যুদ্ধ এবং আগুনের করসরতের রোমাঞ্চ।
প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ – ৭:০০৩. ধ্রুপদী কথাকলি নৃত্যনাট্য
কেরালার ৩০০ বছরের প্রাচীন নৃত্যনাট্য, বর্ণিল পোশাক এবং চোখের নিখুঁত অভিনয়। মেকআপ দেখার জন্য আধা ঘণ্টা আগেই উপস্থিত হোন।
প্রতিদিন বিকেল ৫:০০ – ৬:০০৪. পেরিয়ার হ্রদে বন্যপ্রাণী বোট সাফারি
পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভের শান্ত হ্রদে বোটে ভাসতে ভাসতে তীরে পানি খেতে আসা বুনো হাতির দল, ভারতীয় বাইসন ও বিভিন্ন পাখি দেখার দারুণ সুযোগ।
পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভ · প্রতিদিন ৫টি ট্রিপ৫. মিউজিক্যাল লেজার ফাউন্টেন ও ১২ডি সিনেমা
গানের তালের সাথে রঙিন লেজার আলোয় নাচা পানির ফোয়ারা এবং এরপর বাস্তব রোমাঞ্চের অনুভূতি দেওয়া ১২ডি মোশন সিনেমা শো।
এলিফ্যান্ট ক্যাম্প · প্রতিদিন সন্ধ্যার শো৬. মশলা বাগানে হাঁটা
এলাচ, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, জায়ফল ও আদার সুবাসিত বাগানে গাইডের সাথে হেঁটে ভেষজ উদ্ভিদের পরিচিতি লাভ।
কুমিলি পাহাড়ের ঢাল · সকাল ও দুপুর৭. ড্যাশিং কার্স ও ফ্যামিলি ফান
ইলেকট্রিক বাম্পার কার চালিয়ে একে অপরের সাথে নিরাপদ ধাক্কাধাক্কির আনন্দ। শিশু এবং গোটা পরিবারের জন্য দারুণ বিনোদন।
এলিফ্যান্ট ক্যাম্প · প্রতিদিন সকাল ৯:০০ – রাত ৮:০০থেক্কাডির জন্য ১ দিনের নিখুঁত ভ্রমণ পরিকল্পনা
হাতি এবং মশলা বাগান
রোদ চড়ার আগেই এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে হাতি সাফারি ও পুল শাওয়ার দিয়ে দিন শুরু করুন। এরপর পাশের অর্গানিক মশলা বাগানে নির্মল বাতাসে ঘুরে আসুন।
পেরিয়ার হ্রদে বোট ভ্রমণ
কুমিলির স্থানীয় রেস্তোরাঁয় ঐতিহ্যবাহী কেরালিয়ান খাবারের স্বাদ নিন। এরপর পেরিয়ার অভয়ারণ্যে ৯০ মিনিটের বোট সাফারি করে বন্যপ্রাণী দর্শন করুন।
সাংস্কৃতিক শিল্প ও সান্ধ্য শো
এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে ফিরে এসে বিকেল ৫টায় কথাকলি এবং ৬টায় রোমাঞ্চকর কালাড়িপায়াট্টু দেখুন। রাতে মিউজিক্যাল লেজার ফাউন্টেনের সাথে দিনটি আনন্দের সাথে শেষ করুন।
ভ্রমণের জন্য থেক্কাডির সেরা আবহাওয়া
প্রধান মৌসুম (অক্টোবর থেকে মার্চ): অত্যন্ত মনোরম ও স্নিগ্ধ শীতল আবহাওয়া (১৫°C থেকে ২৫°C)। হাতির কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক শো এবং ট্র্যাকিংয়ের জন্য এটি সোনালী সময়।
গ্রীষ্মকাল (এপ্রিল থেকে মে): হালকা উষ্ণ দিন (২৮°C থেকে ৩২°C)। হ্রদের তীরে পানি খেতে আসা বন্যপ্রাণীদের দৃশ্য গ্রীষ্মকালে সহজে দেখা যায়।
বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর): প্রকৃতি সবুজ লাবণ্যে মেতে ওঠে। ঝরনাগুলো যৌবন ফিরে পায় এবং মশলা বাগানের সুবাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সাথে রেইনকোট রাখুন।